ছাগলনাইয়া থানা প্রশাসনের মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনায় ওসি’র ভূমিকা প্রশংসনীয়…

সৈয়দ কামাল,ফেনী প্রতিনিধিঃবাংলাদেশে মাদকের অবস্থান জিরো টলারেন্সে নিয়ে আসার লক্ষে সম্প্রতি মাননীয় প্রধান মন্ত্রী যে,দিগ নির্দেশনা দিয়েছেন।সেই দিগ নির্দেশনা অনুযায়ী ফেনী জেলা পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার,জেলার ৬ টি থানার অফিসার ইনর্চাজ(ওসি)দের কে স্বস্ব থানা এলাকায়া মাদকের জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নে পুলিশি অভিযান জোরদার করণে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ সুপারের নির্দেশ পালনে ছাগলনাইয়া থানার ওসি এমএম মুর্শেদ পিপিএম প্রাণপন চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছেন।পাশাপাশি থানা এলাকায় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে ও তিনি পালন করে যাচ্ছেন প্রশংসনীয় ভূমিকা।প্রমাণ স্বরুপ পালিত হওয়া দুটি ঈদ উৎসবের কথাই বলাযায়।ছাগলনাইয়া থানার ইতিহাসে এই প্রথম কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটা ছাড়া ছাগলনাইয়া উপজেলাবাসী নিরাপদে পালন করেছে দুটি ঈদ উৎসব।মাদকের জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নে থানার ওসি মুর্শেদ, ছাগলনাইয়া থানায় যোগদানের পর গত ৭ মাসে পুলিশি অভিযান পরিচালনা করে,যে পরিমান মাদক উদ্ধারসহ মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেপ্তার করে মাদক আইনে যত মামলা দিয়েছেন,এত অল্প সময়ের মধ্যে এমন সফলতা বিগত সময়ে থানার ইতিহাসে আর কোন ওসি দেখাতে পারেন নি।এই থানার ইতিহাসে এর পূর্বে কখনো পুলিশের ক্রসফায়ারে মাদক ব্যাবসায়ী নিহতের ঘটনা ঘটেনি।মাদকের জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নে ওসি মুর্শেদই প্রথম থানাধীন পাঠাননগর ইউনিয়নের আলমগীর হোসেন নামের এক মাদক ব্যাবসায়ীকে দিয়েছেন ক্রসফায়ার।শুধু তাই নয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে থানা এলাকায় পুলিশের ক্রসফায়ারে ডাকাত নিহতের ঘটনা ও এই থানার ইতিহাসে প্রথম ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা।এই ঘটনাটি ও ওসি মুর্শেদের দুঃসাহসীক একটি ঘটনা।

একই ইউনিয়নের পাঠানগড় গ্রামের ডাকাত সোহরাব হোসেন সৌরভকে(যার নামে জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা ধর্ষন ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের অপরাধে)১২ টির অধীক মামলা ছিলো।সোহরাবের ক্রসফায়ারের ঘটনার পর,থানা এলাকায় ডাকাতির মত ঘটনা এখন আর ঘটেনা বল্লেই চলে।গত ঈদ উল আযহার পূর্বের রাতে বৃহত্তর ফেনী নোয়াখালি আন্তজেলা ডাকাত দলের,একটি দল ছাগলনাইয়া পৌরসভাধীন উত্তর পানুয়া এলাকায় ডাকাতির ঘটনা ঘটাতে প্রস্তুতি নেওয়াকালে,রাতে টহলরত থাকা ছাগলনাইয়া থানার ওসি মুর্শেদ ও পরিদর্শক(তদন্ত)সুদ্বীপ রায়ের হাতথেকে রক্ষা পায়নি ডাকাত দলটি।এই দুইজন সহ থানার অন্য পুলিশ অফিসারগণ মিলে ঐ ডাকাত দলটিকে আটক করতে ঘটেছিল গোলা গুলির ঘটনা।এই সময় গুলি বিদ্ধ এক ডাকাত সদস্য সহ মোট ৪ জন ডাকাত সদস্যকে দেশীয় অস্ত্র ও তাদের ব্যাবহারিত একটি ট্রাকসহ আটক করে ছাগলনাইয়া থানা প্রশাসন।

     ছাগলনাইয়া থানার অফিসার ইনর্চাজ(ওসি) এমএম মুর্শেদ পিপিএম ও পরিদর্শক (তদন্ত) সুদ্বীপ রায় পলাশ সহ থানা প্রশাসন,থানা এলাকায় মাদকের জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নে ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করণে ৭ মাসের অভিযান পরিচালনায় যে,সফলতা অর্জন করেছে এখন সেই সফলতার একটি পিরিস্তি তুলে ধরছি।২০১৮ সালের জানুয়ারী মাস থেকে আগষ্ট মাসের ২৭ তারিখ পর্যন্ত এই ৭ মাসে ছাগলনাইয়া থানায় মাদক মামলা হয়েছে ১২৪ টি,মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেপ্তার হয়েছে ১৫৫ জন।বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে ৩ টি,আসামী গ্রেপ্তার হয়েছে ৭ জন।ডাকাত গ্রেপ্তার ৪৬ ও চোর গ্রেপ্তার হয়েছে ২৫ জন।নিয়োমীত মামলায় আসামী গ্রেপ্তার ১৬৫ জন।ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী ৭৮৮ জন ও সাজপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেপ্তার ১৮ জন।অস্ত্র উদ্ধারের মধ্যে রয়েছে,দুটি দেশীয় এলজি ও ৭ রাউন্ড কার্তুজ।এই ৭ মাসের মধ্যে মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেপ্তার সহ যে,পরিমান মাদক মামলা দেওয়া হয়েছে এবং থানা এলাকায় জননিরাপত্তা নিশ্চিত করণে ওসি মুর্শেদ যে,ভূমিকা পালন করছে সে জন্য ওসি এমএম মুর্শেদ পিপিএম কে ছাগলনাইয়া থানা এলাকার জনগণ ধন্যবাদ জানাচ্ছে।সামনের দিন গুলিতে ও ওসি মুর্শেদের কাছে এইভাবে নিরাপত্তা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানাচ্ছে এলাকার জনগণ।