বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ০১:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
২৮ বছর পর মেয়ের সাথে এইচএসসি পাস করলেন মা ১৩ লক্ষ টাকার কেমিক্যাল মিশ্রিত সুফারি ধ্বংশ করা হয়েছে ফেনীর সাবেক কাউন্সিলর সাখাওয়াতকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার চেষ্টা মুন্সীগঞ্জে ২০৫ বোতল ফেনসিডিলসহ চালক ও হেলপার গ্রেফতার ফেনীর আঞ্চলিক সাপ্তাহিক”স্বদেশ কন্ঠ” পত্রিকার সম্পাদক খলিলের রহমানের দাফন সম্পন্ন… সারিয়াকান্দিতে যমুনার পানি বিপদসীমার ১০৫ সেন্টিমিটার ওপরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সবাইকে পাকা ঘর বানিয়ে দেয়া হবে,মৌলভীবাজারে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী জিপিএ-৫ পেলেন তানজিদ এমরান মৌলভীবাজারে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা শ্রীমঙ্গল চিড়িয়াখানায় অজগর সাপের ডিম থেকে বাচ্চা ফুটা শুরু

নড়াইলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হয় দেহ ব্যবসা জরিত দপ্তরী.. …

স্বদেশ বাংলা
  • প্রকাশ করা হয়েছেঃ শনিবার, ১৫ জুন, ২০১৯
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

নড়াইল সদর উপজেলার নাকশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি ও নৈশ প্রহরীর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে রাতে স্কুল ভবনের কামরায় দেহ ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার (১৫ জুন) স্কুল প্রাঙ্গণে ঐ নৈশ প্রহরীসহ জড়িতদের শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল করেছে। বিক্ষোভ মিছিলের পর তাৎক্ষনিকভাবে বিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে নারীদের রাতের বেলা স্কুলে এনে এলাকার লোকদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে দেহ ব্যবসা চালাতো নৈশ প্রহরী লতিফ সিকদার। সে একেকদিন একেকজন নারী নিয়ে আসে আর প্রভাবশালীরা এসে তাকে টাকা দিয়ে যায়। এখানে যারা আসে তারা প্রভাবশালী বলে ভয়ে আমরা কিছু বলতে পারিনি।’

বুধবার রাতে এলাকাবাসী নৈশ প্রহরী লতিফসহ কয়েকজনকে হাতে-নাতে ধরে স্কুলের গেট আটকে দেয়। পরে প্রভাবশালী কিছু লোকের উপস্থিতিতে ছাড়া পায় ঐ নৈশ প্রহরী। এ ঘটনার পরদিনই স্কুলের প্রধান শিক্ষক স্কুল বন্ধকালীন সময়ে ১৩ জুন ব্যবস্থাপনা কমিটির একটি সভা দেখিয়ে ঐ দপ্তরীকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। নাকশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমার নাগ বলেন, ‘বুধবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে খবর পেয়ে ভোরে স্কুলে ছুটে আসি।

এ সময় স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আশরাফ সিকদার, মফিজুর রহমান সিকদার, সুলতান আহমেদ, শরিফুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন ছিলেন। নৈশ প্রহরী লতিফ তাদের কাছে ছিলো। আমি সে সময়ই তাকে পুলিশে দিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করি।’ পুলিশের হাতে তুলে দিতে না পেরে পরে সভাপতির জিম্মায় দিয়ে চলে আসি। শনিবারে স্কুল খুললে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা ছিলো। এ সময় এলাকার কিছু লোকজনের বাকবিতণ্ডার কারণে প্রধান শিক্ষক উচ্চ রক্ত চাপের কারণে অচেতন হয়ে পড়লে তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্কুলের দপ্তরি ও নৈশ প্রহরী লতিফ সিকদার মোবাইল ফোনে নিজের দোষ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি স্কুলে ঘুমিয়ে ছিলাম। স্কুল কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিয়েছে কিনা এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।’

প্রতিবেশী বিপ্লব মোল্যা জানান, ‘স্কুল হলো মানুষ গড়ার স্থান, এই স্থানে এই ধরনের অপকর্ম দিনের পর দিন চললেও ম্যানেজিং কমিটি বা প্রধান শিক্ষক কেউ দেখছেন না। এভাবে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না।’ পরে বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি আশরাফ সিকদারের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানার এসআই রজত জানান, ‘এ স্কুলের দপ্তরী ও নৈশ প্রহরীর অপকর্মের অভিযোগ পেয়েছি। এ ঘটনায় কয়েকজন জড়িত আছে। তবে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’সূত্র-ইত্তেফাক।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 SadeshBangla.com
The website Developed By Sadeshbangla.Com