1. [email protected] : Tanvir :
  2. [email protected] : Bijoyer Bangla : Bijoyer Bangla
চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিচারপ্রার্থী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ - Sadeshbangla.com
সর্বশেষঃ
বাবর ও রিজওয়ানকে চরম ‘স্বার্থপর’ বললেন শাহিন আফ্রিদি! ফাইনালের সাথে সাথে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করলেন বাংলাদেশ অবাক ক্রিকেট বিশ্ব কোহলিকে পিছনে ফেলে T20 তে নতুন ইতিহাস গড়লেন বাবর আজম এবার এশিয়া কাপে তিন বার মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান! স্পাইডারম্যানের মতো উড়ে গিয়ে বাজপাখির মতো ঝাঁপিয়ে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরলেন বিজয়, তুমুল ভাইরাল! রাস্তায় অনেক মানুষ ছিল আমি চিৎকার করেও কারু সাহায্য পাইনি! তাজা খবর:H.S.C পরিক্ষার ফরম পূরণের শেষ তারিখ প্রকাশ! পিএসজি তে মেসির সাথে খেলতে চায় : নেইমার! আমি একা ধরতে পারলে পুলিশ কেন ধরতে পারবে না’: জবি ছাত্রী! প্রমান করে দিলেন পড়াশুনার নাই কোনো বয়স, ৯৮ বছর বয়সে গ্র্যাজুয়েট হয়ে রেকর্ড করলেন!

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিচারপ্রার্থী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২২
  • ২৬৬ জন পড়েছেন

ঝিনাইদহে এক নারীকে ইয়াবা এবং গাঁজা সেবন করিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে হরিশংকরপুর ইউপির চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদ ও তার গাড়ির ড্রাইভার শাহীনের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) রাতে ভুক্তভোগী ওই নারী চেয়ারম্যানকে প্রধান

আসামি করে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর আগে, গত শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার হরিশংকরপুর গ্রামের নরহরিদ্রা গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নারী বর্তমানে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জানা যায়,

কয়েক মাস আগে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পাগলা কানাই ইউনিয়নের কোড়াপাড়া গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে মহসীনের সঙ্গে ভুক্তভোগী না’রীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর প্রতারণার মাধ্যমে ওই নারীর কাছ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন মহসীন। এ ছাড়া ২ মাস আগে

তাদের বিয়ের বিষয়টিও অস্বীকার করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মাতব্বরসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কাছে গেলেও কোনো সমাধান পাননি ওই নারী। গত ১৫ এপ্রিল তিনি পার্শ্ববর্তী হরিশংকরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি

খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদের কাছে যান। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ফরিদ চেয়ারম্যানের গ্রামের বাড়ি হরিশংকরপুর ইউনিয়নের নরহরিদ্রা গ্রামে যান তিনি। কেউ না থাকার সুযোগে ফরিদ তাকে বাড়ির ভেতর ডেকে নিয়ে যান। আর

ব্যক্তিগত গাড়িচালক শাহীনকে বলেন, বাড়িতে যেন কেউ না প্রবেশ করে। পরে তাকে ইয়াবা এবং গাঁজা সেবনের জন্য চাপাচাপি শুরু করেন চেয়ারম্যান ও শাহীন। কিন্তু এতে রাজি না হলে ওই নারীকে মারধর ও জোর করে ইয়াবা ও গাঁজা সেবন করানোর চেষ্টা করা হয়। এক পর্যায়ে ফরিদ ও শাহীন তাকে ধর্ষণ

করেন। ধর্ষণের ফলে জ্ঞান হারান তিনি। পরদিন সকাল ১০টার দিকে কে বা কারা তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে রেখে যায়। বর্তমানে হাসপাতালেই ভর্তি আছেন তিনি। ভুক্তভোগী নারী বলেন, আমি তখন ভয়ে কিছু বলতে

পারিনি। আমাকে নির্যাতন করা হয়েছে। এখন আমি ডাক্তারের কাছে বলেছি। ডাক্তার আমার আগের ভর্তি বাতিল করে নতুন করে ভর্তি করার কথা বলেছে। আমি ধর্ষক ফরিদ এবং শাহীনের বিচার চাই। অভিযুক্ত চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদ বলেন, গত শুক্রবার বিকেলে

মেয়েটি আমার কাছে বিচারের জন্য এসেছিল। আমি তার সঙ্গে কথা বলে বাড়িতে পাঠিয়ে দেই। মেয়েটি যখন আসে এবং চলে যায় তখন আমার বাড়িতে প্রায় ৫০ জন লোক ছিল। সবাই দেখেছে। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা

হচ্ছে, তার কোনো সত্যতা নাই। আসলে আমার সম্মানহানির জন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমি এই ষড়যন্ত্রের তদন্ত দাবি করছি। এই বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © ২০১৭-২০২২
Site Customized By NewsTech.Com