1. [email protected] : Tanvir :
  2. [email protected] : Bijoyer Bangla : Bijoyer Bangla
ছেলের শেষ ফোন বলেছিলো বাবা আমার পা উড়ে গেছে, কলমা পড়িয়ে দাও - Sadeshbangla.com
সর্বশেষঃ
বাবর ও রিজওয়ানকে চরম ‘স্বার্থপর’ বললেন শাহিন আফ্রিদি! ফাইনালের সাথে সাথে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করলেন বাংলাদেশ অবাক ক্রিকেট বিশ্ব কোহলিকে পিছনে ফেলে T20 তে নতুন ইতিহাস গড়লেন বাবর আজম এবার এশিয়া কাপে তিন বার মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান! স্পাইডারম্যানের মতো উড়ে গিয়ে বাজপাখির মতো ঝাঁপিয়ে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরলেন বিজয়, তুমুল ভাইরাল! রাস্তায় অনেক মানুষ ছিল আমি চিৎকার করেও কারু সাহায্য পাইনি! তাজা খবর:H.S.C পরিক্ষার ফরম পূরণের শেষ তারিখ প্রকাশ! পিএসজি তে মেসির সাথে খেলতে চায় : নেইমার! আমি একা ধরতে পারলে পুলিশ কেন ধরতে পারবে না’: জবি ছাত্রী! প্রমান করে দিলেন পড়াশুনার নাই কোনো বয়স, ৯৮ বছর বয়সে গ্র্যাজুয়েট হয়ে রেকর্ড করলেন!

ছেলের শেষ ফোন বলেছিলো বাবা আমার পা উড়ে গেছে, কলমা পড়িয়ে দাও

  • প্রকাশিত : রবিবার, ৫ জুন, ২০২২
  • ৫০ জন পড়েছেন

তিন মাস আগে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে চাকরিতে ঢোকেন মমিনুল হক (২৭)। শনিবার আগুন লাগার পরপরই রাত দশটার দিকে বাবাকে ফোন

দেন তিনি। ফোন দিয়ে বলেন, ‘বাবা এখানে কিছুক্ষণ পরে পরে ব্লাস্ট হচ্ছে। সম্ভবত আমি মারা যাচ্ছি।’ এরপরই ফোন কেটে যায়। অনেক চেষ্টা করেও মমিনুলকে ফোনে আর পাচ্ছিলেন না বাবা ফরিদুল। এর ১০ মিনিট পরই আবার ফোন, তখনই শুনতে পেলেন ভয়াবহ কিছু।

শনিবার মাঝরাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) আহাজারি করতে করতে ছেলের সঙ্গে শেষ কথোপকথনের বিষয়ে ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘দ্বিতীয়বার ফোনে

মমিনুল বলেন, ‘বাবা আমার একটা পা উড়ে গেছে। আমাকে কলমা পড়িয়ে মাফ করে দেন।’ তখনও ওপাশ থেকে ছেলের আর্তচিৎকার শুনতে পারছিলেন বাবা। পঞ্চাশোর্ধ

ফরিদুল বলেন, হাতে ফোন রেখেই মমিনুল বলছিলেন, আমি মাটিতে পড়ে গেছি আমাকে কেউ একটু তুলে দাও’। এসময় কেটে যায় ফোনের লাইন। ওটাই ছিল ছেলের সঙ্গে শেষ কথা। কথাগুলো বলেই কান্নায় ভেড়ে পড়েন ফরিদুল।

বিএম কন্টেইনার ডিপোতে মাত্র তিন মাস আগে কাউন্টারে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে চাকরি শুরু করেছিলেন মুমিনুল। শনিবার রাতে চট্টগ্রাম নগরী থেকে ২০ কিলোমিটার

দূরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ২৪ একর জায়গাজুড়ে অবস্থিত বেসরকারি কন্টেইনার ডিপোতে আগুনের পর ভয়াবহ বিস্ফোরণে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে ও শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তাদেরই একজন মমিনুল।

তার খালাতো ভাই তায়েব চমেক হাসপাতালে বলেন, তিন মাস আগে মহসিন কলেজ থেকে ইকোনমিক্সে অনার্স শেষ করে চাকরি শুরু করে মমিনুল। শনিবার রাত ৮টার দিকে

ডিপোতে যান তিনি। ফরিদুল জানান, মমিনুলের সঙ্গে কথা শেষে তিনি চট্টগ্রাম শহরে থাকা নিজের স্বজনদের ফোন করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ

হাসপাতলে যেতে বলেন। পরে তার চাচা খোরশেদ আলম হাসপাতালে এসে ভাতিজার লাশ দেখতে পান। পরিবারে দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে মুমিনুল মেজ।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © ২০১৭-২০২২
Site Customized By NewsTech.Com