1. skarman0199094@gmail.com : Sk Arman : Sk Arman
  2. alamran777777@gmail.com : স্বদেশ বাংলা : স্বদেশ বাংলা
  3. alamran2355@gmail.com : স্বদেশ বাংলা : স্বদেশ বাংলা
  4. mijankhan298@gmail.com : স্বদেশ বাংলা : স্বদেশ বাংলা

নাটকীয় সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন বেগম জিয়া

  • প্রকাশিত : ১০:১০ am | শনিবার ৩ জুলাই, ২০২১
  • ৫১০ বার পঠিত

বিএনপি নেতারা যেটিই বলুক না কেন বেগম খালেদা জিয়া নাটকীয় সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন। বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের একাধিক সূত্র বলছে, যেভাবে বেগম খালেদা জিয়া জামিন পেয়েছিলেন এবং তার জামিন পাওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত বিএনপি নেতারা এ সম্পর্কে অন্ধকারে ছিলেন ঠিক একইভাবে বেগম খালেদা জিয়া একটি নাটকীয় সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে বেগম খালেদা জিয়ার সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তার পরিবারের সদস্যরা সম্মতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

একই সাথে লন্ডনে পলাতক বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক জিয়াও মন্দের ভালো হিসেবে এই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন বলেও জানা গেছে। বেগম খালেদা জিয়ার এই নাটকীয় সিদ্ধান্তটি যেকোন সময় আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য বলেছেন যে, সারা বিশ্বে আবার নতুন করে করোনা এবং বাংলাদেশও করোনা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া বিদেশ যাবেন না। পরিস্থিতির একটু উন্নতি হলেই বেগম খালেদা জিয়া তার এই সিদ্ধান্তটি নেবেন।

তবে এই সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত রূপরেখা কি হবে তা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যে জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দুটি পথ আছে। একটি হলো, আদালতের মাধ্যমে তিনি মুক্তি পেতে পারেন। দ্বিতীয়টি হলো, বেগম খালেদা জিয়া রাষ্ট্রপতি কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে আবেদন করতে পারেন। বেগম খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, বেগম খালেদা জিয়া হয়তো দ্বিতীয় পথেই যাবেন।

তবে রাষ্ট্রপতির কাছে সরাসরি তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করবেন না বলে বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত করেছেন। তিনি একটি আবেদন রাষ্ট্রপতির কাছে দেবেন। যে আবেদনটিতে বেগম খালেদা জিয়া`র অসুস্থতা এবং তার উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন এজন্য তার দণ্ড মওকুফ করার জন্য তিনি আবেদন জানাবেন। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে যেকোনো দণ্ডিত ব্যক্তির দণ্ড মওকুফ করতে পারেন। তবে এজন্য রাষ্ট্রপতি কাছে দণ্ড মওকুফের আবেদন করতে হবে। এই আবেদনে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে কি হবে না এ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে দু`ধরনের মতামত পাওয়া গেছে। কোনো কোনো আইনজীবী বলছেন যে এই ধরনের আবেদন করতে গেলে তাকে অবশ্যই অনুতপ্ত হতে হবে এবং তিনি যে দন্ড করেছে তিনি যে অপরাধ করেছেন সেই অপরাধ তাকে স্বীকার করতে হবে।

তবে এ ব্যাপারে কোনো আইনজীবী বলছেন, রাষ্ট্রপতির দণ্ড মওকুফের সাথে ক্ষমা প্রার্থনার কোনো সম্পর্ক নেই। রাষ্ট্রপতি যে কোন ব্যক্তিকেই যেকোনো কারণে দণ্ড মওকুফ করতে পারেন এবং এর আগে একাধিক ব্যক্তি ক্ষমা প্রার্থনা না করেও দণ্ড মওকুফ পেয়েছেন বলে কেউ কেউ মনে করছেন। সিনিয়র আইনজীবীরা মনে করেন, রাষ্ট্রপতির কাছে যখনই দণ্ড মওকুফের আবেদন করবে তার মানে হল তিনি যে অপরাধটি করেছেন তা স্বীকার করে নেওয়া। সেটি পরোক্ষভাবে ক্ষমা প্রার্থনার স্বামী। এটি যদি হয় তাহলে তিনি পরবর্তী পাঁচ বছর নির্বাচনের অযোগ্য থাকবেন। তবে বেগম খালেদা জিয়ার পরিবার এখন রাজনীতির বিষয়টা নিয়ে ভাবছেন না।

তারা মনে করছেন, বেগম খালেদা জিয়া যদি রাষ্ট্রপতি`র দণ্ড মওকুফের জন্য আবেদন করেন এবং রাষ্ট্রপতি যদি ইতিবাচকভাবে সাড়া দেন তাহলে বেগম খালেদা জিয়া`র বিদেশ যাওয়ার পথ উন্মুক্ত হবে এবং বিদেশ যাওয়ার পর তিনি তার মত করে জীবন যাপন করতে পারবেন। বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরা বলছেন, এই বিষয়টি রাজনৈতিক নয়। বেগম খালেদা জিয়া সত্যিই অসুস্থ এবং এখন তার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। আর এর জন্য যে পথ খোলা আছে সেই পথেই তারা যেতে চান। বেগম খালেদা জিয়া পরিবারের কোনো সদস্যই এখন মনে করছেন না যে, রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করলে সেটিতে বেগম খালেদা জিয়ার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে।

সূত্র- বাংলাইনসাইডার।

এই সংবাদটি শেয়ার করার অনুরোধ রইল

এই বিভাগের আরো সংবাদ পড়ুন এখানে
© All rights reserved © 2020 Sadeshbd
Site Customized By NewsTech.Com
Translate Language »