বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষঃ
কাবা শরীফের ইমাম হয়েছি শুধু মায়ের দোয়ায়:শাইখ আদিল আল কালবানি মাকে হত্যার দায়ে ছেলেকে মৃত্যুদন্ড দিলেন আদালত ক্যাসিনো অভিযানে:আ’লীগ নেতা এনামুল রুপন এর বাড়িতে ৫ সিন্দুকভর্তি টাকা ফেনীতে আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে নির্বাহী অফিসারের নাসরীন সুলতানা র ক্ষোভ এবার বাংলাদেশের সব মসজিদে নারীদের নামাজের ব্যবস্থা চেয়ে রিট আড়াই বছরে মায়ের মুখে শুনে শুনে পবিত্র কুরআন মুখস্ত বগুড়া শিবগঞ্জ থেকে ৪৮৭ বোতল ফে’ন্সিডিলসহ ২ মা’দক ব্যবসায়ী আটক পুলিশের কব্জায় অটোরিকশা, মায়ের ক্যান্সার চিকিৎসায় শেষ সম্বলও বিক্রি ব্রেকিং:পদত্যাগ করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির গোপালগঞ্জে মসজিদে আগুন দিলেন দুর্বৃত্তরা

ফেনীতে মটুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার বিরুদ্ধে নাম্বর কারচুপির অভিযোগ

রিপোর্টারঃ
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ২ জন নিউজটি পড়েছেন
ফেনীতে মটুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পরীক্ষাপত্রে নাম্বর কারচুপির অভিযোগ

ফেনীতে মটুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পরীক্ষাপত্রে নাম্বর কারচুপির অভিযোগ। ফেনীর ছাগলনাইয়া পৌরসভাধীন মটুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার শাহেদা ইয়াছমিনের বিরুদ্ধে ২ য় ও ৪র্থ শ্রেনীর বার্ষিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে নাম্বার কারচুপির অভিযোগ উঠেছে।শিক্ষার্থীদের পিতা মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম

গত ০১ জানুয়ারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও পরবর্তীতে ৩০ জানুয়ারী চট্টগ্রাম উপ-বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

অভিযোগে জানা যায়,গতবছর ২০১৯ সালে পৌরসভার মটুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ২য় শ্রেনীর ছাত্রী মোবাশ্বেরা মাহবুব মুনতাহা (রোল-০৪) এবং ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্র মীর মোহাম্মদ মিশকাত উল আলম (রোল-০৬) বার্ষিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে।পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হলে দুইজন

শিক্ষার্থী তাদের প্রাপ্ত ফলাফলে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে এবং মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে।তারা তাদের ফলাফলের বিষয়ে কারচুপির সন্দহ প্রকাশ করলে তাদের পিতা মাহবুব আলম বিদ্যালয়ে এসে প্রধান শিক্ষিকা শাহেদা ইয়াছমিনকে তার

সন্তানদের পরীক্ষার কাগজ দেখানোর জন্য অনুরোধ জানান।প্রধান শিক্ষিকা প্রথমে উত্তরপত্র দেখাতে অনিহা প্রকাশ করলেও পরে দেখানোর পর দেখা যায় প্রতিটি বিষয়ের উত্তরপত্র মূল্যায়নে কারচুপি করা হয়েছে।

উত্তরপত্রে দেখা যায়,শ্রেনী শিক্ষকরা পরীক্ষাপত্রে যে নাম্বার দিয়েছিল,প্রধান শিক্ষিকা সেই পরীক্ষাপত্রে থাকা নাম্বার কর্তন করে কমিয়ে পেলেছে।ফলে শিক্ষার্থীরা প্রথম স্থান অর্জন করার কথা থাকলেও পিছিয়ে পরেছে এবং প্রধান শিক্ষিকা তার নিজ সন্তানকে ১ম স্থানে উত্তীর্ন করতেই এমন অনিয়ম করেছে বলে

অভিবাবকের অভিযোগ।শিক্ষার্থীদের অভিভাবক এধরনের কারচুপি দেখে পরীক্ষাপত্র পূনমূল্যায়ন ও যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য গত ০১ জানুয়ারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিলে তিনি কার্যকরি কোন ব্যাবস্থা

গ্রহন না করায়,পরবর্তীতে ওই অভিবাবক ৩০ জানুয়ারী উপ-বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চট্টগ্রামের বরাবরে আরেকটি লিখিত অভিযোগ প্রেরণ করেন।

অভিযোগের বিষয় বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষিকা শাহেদা ইয়াছমিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,বিষয়টি আমি জানিনা কাগজগুলি শ্রেনী শিক্ষকরা মূল্যায়ন করেছে এবং নাম্বার দিয়েছে।

শ্রেনী শিক্ষিকা শারমিন আক্তার জানান,প্রধান শিক্ষিকা আমাদের যেভাবে নির্দেশ দিয়েছে আমরা সেভাবে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করেছি।নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক অন্যান্য শিক্ষকরাও

জানিয়েছেন,প্রধান শিক্ষিকা উত্তরপত্রে নাম্বার পরীবর্তনে স্বজনপ্রীতিসহ ও অনেক অনিয়মের সাথে জড়িত।
এব্যপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃমহি উদ্দীন

অভিযোগটির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,উত্তর পত্রের কপি আমরা সংগ্রহ করেছি সেগুলি ছাগলনাইয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে দেখিয়েছি,উনি এই বিষয় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন।
আরো পড়ুন=>> আবেদন করেও মু’ক্তিযো’দ্ধা পরিবারের ভাগ্যে জুটেনি একটি ঘর

এই সংবাদটি শেয়ার করার অনুরোধ রইল

এই বিভাগের আরো সংবাদ পড়ুন এখানে
© All rights reserved © 2020 Sadeshbd
The website Developed By Sadeshbangla.Com
Translate Language »