1. skarman0199094@gmail.com : Sk Arman : Sk Arman
  2. alamran777777@gmail.com : স্বদেশ বাংলা : স্বদেশ বাংলা
  3. alamran2355@gmail.com : স্বদেশ বাংলা : স্বদেশ বাংলা
  4. mijankhan298@gmail.com : স্বদেশ বাংলা : স্বদেশ বাংলা
  5. shafiulislamtanzil@gmail.com : Md Tanzil : Md Tanzil
  6. mituislam298@gmail.com : সহকারি সম্পাদক মোঃ সফিউল ইসলাম তানজিল : সহকারি সম্পাদক মোঃ সফিউল ইসলাম তানজিল
সর্বশেষঃ
অবশেষে বাংলাদেশেই করোনার টিকার আবিস্কার হতে যাচ্ছে করোনা চিকিৎসা করতে ১০০ টাকার বেশি খরচ নাই: ডা. জাফরুল্লাহ করোনা যুদ্ধে আরো একজন পুলিশ সদস্যের মৃত্যু ঘূর্ণিঝড়ে আমফানের তান্ডবে বেড়িবাঁধ বিধ্বস্ত সরকারি বরাদ্দের নেই বাস্তবায়ন গাইবান্ধায় ট্রাক উল্টে ১৩ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে খ্যাতিমান আলেমে দ্বীন বায়তুশ শরফের পীর আল্লামা শাহ মোহাম্মদ কুতুব ইন্তেকাল করেছেন মোংলা এবং পায়রায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত : ১৫ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা নারী পুলিশকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা ৪২ দিন পর সেই প্রেমিক গ্রেপ্তার সিরাজগঞ্জে ট্রাক উল্টে স্বামী ও স্ত্রীসহ মোট চারজন নি’হত ৩০০০ শ্রমিকের ২ মাসের বেতন এবে ৩৫ দিনের ছুটি সাথে ইদ বোনাস দিলেন এই গার্মেন্টস মালিক

হারিয়ে যাচ্ছে সকাল ও বিকেল বেলার কোরআন শিক্ষার সেই মক্তব

  • প্রকাশিত : ০৭:১৭ pm | রবিবার ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৫৩৭ বার পঠিত

হারিয়ে যাচ্ছে সকাল ও বিকেল বেলার কোরআন শিক্ষার সেই মক্তব।বাংলাদেশের প্রায় সকল উপজেলায় কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে কোরআন শিক্ষার মক্তব। আগের মত এখন আর কঁচিকাঁচা শিশুদের কোরআন শিক্ষার জন্য মক্তবে যেতে দেখা যায় না।

কালিমা আর আলিফ, বা, তা এর শব্দে মুখরিত হয়ে উঠেনা জনপদ। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ছিল কোরআন শুদ্ধ করে জানে এমন একটি মেয়েই হবে ঘরনী। যাতে বাড়ীঘর কোরআনের শব্দে বরকতময় হয়ে উঠে। এখন সেই ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে মুসলিম এই রাষ্ট্র থেকে মক্তব আরবি শব্দ।

এর শাব্দিক অর্থ পাঠশালা বা বিদ্যালয়। শিশুদের কোরআন শিক্ষার এবং ইসলাম সম্পর্কে প্রাথমিক মৌল জ্ঞানার্জনের উত্তম শিক্ষা কেন্দ্র হলো এ কোরআনি মক্তব। এখান থেকে শিশুরা কোরআনের তেলাওয়াত শেখার পাশাপাশি নামাজ-রোজার নিয়ম কানুন, জরুরি মাসআলা-মাসায়িল, দোয়া-কালাম ইত্যাদি শিখতে পারে।

কিন্তু এমন পাঠশালা থেকে এখন আর অবধারিত রোজ সকালে কোরআনের আওয়াজ কঁচিকাঁচা শিশুদের কন্ঠ থেকে বের হয় না। শিশুদের অভিবাবকদের অবহেলার কারনে মসজিদের ইমাম সাহেবরা এখন মক্তবে কোরআন পড়ানোর আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে।

যার কারনে এলাকার শিশু কিশোররা কোরআন শিক্ষা থেকে বি ত হচ্ছে। ত্রিশালে ও বগুড়া জেলার কয়েকটি এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, কোথাও কোথাও মক্তবগুলো রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এমনিতেই বন্ধ হয়ে গেছে। আবার কোথাও কোথাও যা-ও চালু আছে, সেগুলোতেও আগের মতো জৌলুস নেই। শিশুদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। নামে মাত্র চলে এসব কোরআন শিক্ষার পাঠশালা।

কয়েকজন ইমাম সাহেবের সাথে মক্তবের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন, বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে এখন অভিবাবকেরা কঁচিকাঁচা শিশুদের মক্তবে পাঠাতে চান না। বেশিরভাগ শিশুরা সকালে ঘুম থেকে উঠেই স্কুলে কোচিং অথবা কিন্ডার গার্টেনে ক্লাসের সময় হয়ে যায়।

এভাবে চলতে থাকলে ইসলামী বুনিয়াদি শিক্ষার এ অবারিত ও ঐতিহ্যগত প্রতিষ্ঠান চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে পরিণত হতে পারে অতীত ইতিহাস। কালের পরিবর্তনে মক্তব হারিয়ে গেলেও ত্রিশাল উপজেলার ও বগুড়া জেলার কয়েকটি এলাকায় এখনো কিছু মক্তব চোখে পড়ে। সরজমিনে ঘুরে দেখাগেছে এখনো উপজেলার উল্লেখ যোগ্য কয়েটি ইউনিয়নে গ্রাম অঞ্চলে মসজিদে গিয়ে দেখা যায়, মসজিদের বারান্দায় মাত্র কয়েকজন কঁচিকাঁচা শিশু কোরআন পাঠে ব্যস্ত।

অথচ এক সময় এই মসজিদগুলোতে দৈনিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো প্রায় অর্ধ শতাধিক। এমনটাই জানালেন মসজিদ কমিটির সদস্য ও ইমাম সাহেবরা। হুজুরদের নিকট মক্তবের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে এখন অভিভাবকেরা কঁচিকাঁচা শিশুদের মক্তবে পাঠাতে চান না।

তারপরও মসজিদ কমিটির আগ্রহে এখনো এই মক্তব গুলো রয়েছে বলে জানান। এর আগে দেশের প্রতিটি মুসলিম জাতিকে ধর্মীয় শিক্ষা দিতে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গন শিক্ষা চালু করেন।

বর্তমানে দেশের প্রতিটি উপজেলার কিছু কিছু ইউনিয়নে ১০/১২ টি এমন ফাউন্ডেশন রয়েছে। যদিও তিন স্তরে, অর্থাৎ প্রাক প্রাথমিক, বয়স্ক ও কুরআন শিক্ষা চালু করলেও কিছু কিছু শিশুরা এই ফাউন্ডেশনে পড়তে আসে। সেই অনুসারে সরকারীভাবে চলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গন শিক্ষা।

তারই একটি ফাউন্ডেশন ত্রিশাল উপজেলা১নং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শিক্ষকে কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বর্তমানে মক্তব কার্যক্রম প্রায় বিলুপ্তির পথে। অনিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন কিন্ডার গার্টেন এ শিশুদের শিক্ষাদানের কারনে মক্তব হারিয়ে যাওয়ার একমাত্র কারন বলে তিনি মনে করেন। কিন্তু এমন ফাউন্ডেশন যদি জেলার সবকটি এলাকায় থাকতো তাহলে প্রতিটি শিশুর মধ্যেই ছড়িয়ে দেয়া যেতো ধর্মীয় জ্ঞান।
আরো পড়ুন=>জমি সংক্রান্ত বিরোধে দুই ভাইকে কো’পালেন পুলিশ কর্মকর্তা

এই সংবাদটি শেয়ার করার অনুরোধ রইল

এই বিভাগের আরো সংবাদ পড়ুন এখানে
© All rights reserved © 2020 Sadeshbd
Site Customized By NewsTech.Com
Translate Language »