1. skarman0199094@gmail.com : Sk Arman : Sk Arman
  2. alamran777777@gmail.com : স্বদেশ বাংলা : স্বদেশ বাংলা
  3. alamran2355@gmail.com : স্বদেশ বাংলা : স্বদেশ বাংলা
  4. mijankhan298@gmail.com : স্বদেশ বাংলা : স্বদেশ বাংলা
  5. shafiulislamtanzil@gmail.com : Md Tanzil : Md Tanzil
  6. mituislam298@gmail.com : সহকারি সম্পাদক মোঃ সফিউল ইসলাম তানজিল : সহকারি সম্পাদক মোঃ সফিউল ইসলাম তানজিল
সর্বশেষঃ
অবশেষে বাংলাদেশেই করোনার টিকার আবিস্কার হতে যাচ্ছে করোনা চিকিৎসা করতে ১০০ টাকার বেশি খরচ নাই: ডা. জাফরুল্লাহ করোনা যুদ্ধে আরো একজন পুলিশ সদস্যের মৃত্যু ঘূর্ণিঝড়ে আমফানের তান্ডবে বেড়িবাঁধ বিধ্বস্ত সরকারি বরাদ্দের নেই বাস্তবায়ন গাইবান্ধায় ট্রাক উল্টে ১৩ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে খ্যাতিমান আলেমে দ্বীন বায়তুশ শরফের পীর আল্লামা শাহ মোহাম্মদ কুতুব ইন্তেকাল করেছেন মোংলা এবং পায়রায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত : ১৫ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা নারী পুলিশকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা ৪২ দিন পর সেই প্রেমিক গ্রেপ্তার সিরাজগঞ্জে ট্রাক উল্টে স্বামী ও স্ত্রীসহ মোট চারজন নি’হত ৩০০০ শ্রমিকের ২ মাসের বেতন এবে ৩৫ দিনের ছুটি সাথে ইদ বোনাস দিলেন এই গার্মেন্টস মালিক

রক্তচাপের ঔষধ বাদ দিলে যা হয়..

  • প্রকাশিত : ১০:৪০ pm | শনিবার ২৭ এপ্রিল, ২০১৯
  • ১১৩ বার পঠিত

কিছু ঔষধ সারাজীবন ধরে গ্রহণ করতে হয়, যা বেশিরভাগ মানুষই অপছন্দ করে। সারা জীবন ধরে ঔষধ সেবন করতে হলে ভালো লাগার কথাও না। কিন্তু আপনার শরীরের জন্য এটা প্রয়োজনীয় হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, উচ্চ রক্তচাপের ঔষধ নিয়মিত সেবন করাই এটি নিয়ন্ত্রণে রাখার এবং নিরাময়ের উপায়। যদিও চিকিৎসক প্রথমেই আপনাকে এই ঔষধ সেবন করার নির্দেশনা দেবেন না। মূলত উচ্চ রক্তচাপের ঔষধ দেয়ার ক্ষেত্রে চিকিৎসক অনেক কিছু বিবেচনা করেন।

একজন ব্যক্তির রক্তচাপ কখনোই স্থিতিশীল থাকেনা, এমনকি সারা দিনেও। মনে রাখবেন একজন মানুষের রক্তচাপের রিডিংগুলো তার স্ট্রেসের প্রতিক্রিয়ার সাথে সংগতিপূর্ণ। কার্ডিওলজিস্টদের মতে, যদি এটি অস্থিতিশীল না হয় তাহলে বন্ধ হয়ে যেতে পারে হৃদপিণ্ডের কাজ।

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাটি যদি অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন – থাইরয়েড, স্থূলতা, এন্ডোক্রাইনের সমস্যা, নাক ডাকা বা ঘুমের সমস্যার কারণে হলে এই সমস্যাগুলোর নিরাময় হলে রক্তচাপ ও ঠিক হয়। যদিও এটি সেকেন্ডারি হাইপারটেনশন, এর বিপরীতমুখী কোন প্যাটার্ন নেই এবং সারাজীবন ধরেই ঔষধ গ্রহণ করতে হয়।

হাইপারটেনশনের ক্ষেত্রে শুধু রিডিংই নয় আরো কিছু বিষয় ও বিবেচনা করা হয় যেমন – বডি মাস ইনডেক্স, উচ্চতা, ওজন ও ব্যক্তির অন্যান্য কিছু বিষয়। যখন চিকিৎসক আপনার রক্তচাপ পরিমাপ করবেন তখন যদি ডায়াস্টোলিক চাপটি ১৪০ এবং সিস্টোলিক চাপটি ৮০ এর নীচে থাকে এবং পর পর চারবার যদি একই রকম রিডিং আসে তাহলে ১৪০/৮০ হচ্ছে আপনার স্বাভাবিক রক্তচাপ এবং এটি নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কিন্তু যদি রক্তচাপ ১৮০/১৩০ হয় এবং স্বাভাবিক অবস্থায় না নামে তাহলে নির্ধারিত ঔষধগুলো অনিবার্য হয়ে থাকে।

মনে রাখবেন উচ্চ রক্তচাপের ঔষধ দেয়া হয় সমস্যাটিকে চেক দিয়ে রাখার জন্য। সুতরাং যদি আপনার রক্তচাপ ১৮০/১৩০ থেকে ১১০/৯০ এ নেমে আসে তাহলে ঔষধ গ্রহণ করা বন্ধ করে দেবেন। বিশেষ করে যদি উচ্চ রক্তচাপ নিরাময়ের জন্য বিটা ব্লকার ঔষধ দেয়া হয় তাহলে আপনার রক্তচাপ ২০০/১৮০ পর্যন্ত হতে পারে, যাকে প্রতিক্রিয়াশীল উচ্চ রক্তচাপ বলে।

প্রতিক্রিয়াশীল উচ্চ রক্তচাপ মারাত্মক হতে পারে এবং এর ফলে স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। পুনরায় উচ্চ রক্তচাপের ঔষধ গ্রহণ করা ভালো ধারণা, যদি আপনি কিছু সময়ের জন্য এই ঔষধ গ্রহণ বন্ধ করেও থাকেন। যদিও পুনরায় এই ঔষধ সেবন শুরু করার পূর্বে চিকিৎসককে দিয়ে চেক করিয়ে নেয়া ভালো, ঔষধের ডোজ একই রকম থাকবে না বাড়বে তা জানার জন্য।

তাই বলা যায় যে, চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করা ছাড়াই রক্তচাপের ঔষধ গ্রহণ করা বন্ধ করে দেয়াটা জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ হতে পারে।

সূত্র: দ্যা হেলথ সাইট

এই সংবাদটি শেয়ার করার অনুরোধ রইল

এই বিভাগের আরো সংবাদ পড়ুন এখানে
© All rights reserved © 2020 Sadeshbd
Site Customized By NewsTech.Com
Translate Language »