1. [email protected] : Tanvir :
  2. [email protected] : Bijoyer Bangla : Bijoyer Bangla
রাস্তায় অনেক মানুষ ছিল আমি চিৎকার করেও কারু সাহায্য পাইনি! - Sadeshbangla.com
সর্বশেষঃ
বাবর ও রিজওয়ানকে চরম ‘স্বার্থপর’ বললেন শাহিন আফ্রিদি! ফাইনালের সাথে সাথে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করলেন বাংলাদেশ অবাক ক্রিকেট বিশ্ব কোহলিকে পিছনে ফেলে T20 তে নতুন ইতিহাস গড়লেন বাবর আজম এবার এশিয়া কাপে তিন বার মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান! স্পাইডারম্যানের মতো উড়ে গিয়ে বাজপাখির মতো ঝাঁপিয়ে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরলেন বিজয়, তুমুল ভাইরাল! রাস্তায় অনেক মানুষ ছিল আমি চিৎকার করেও কারু সাহায্য পাইনি! তাজা খবর:H.S.C পরিক্ষার ফরম পূরণের শেষ তারিখ প্রকাশ! পিএসজি তে মেসির সাথে খেলতে চায় : নেইমার! আমি একা ধরতে পারলে পুলিশ কেন ধরতে পারবে না’: জবি ছাত্রী! প্রমান করে দিলেন পড়াশুনার নাই কোনো বয়স, ৯৮ বছর বয়সে গ্র্যাজুয়েট হয়ে রেকর্ড করলেন!

রাস্তায় অনেক মানুষ ছিল আমি চিৎকার করেও কারু সাহায্য পাইনি!

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৪ জুলাই, ২০২২
  • ১০৪ জন পড়েছেন

একটি কালো টিশার্ট পরা ছিনতাইকারী এসে যখন আমার ফোন ছিনিয়ে নেয়, তখন শুধু আমিই দৌঁড়ে গেছি। রাস্তায় আ’মার পাশে অনেক মানুষ ছিল। আমি চিৎকার করেছি কিন্তু তারা আ’মাকে সাহায্য করেনি। একটু পর আ’রেকজন ছিনতাইকারী যখন একই জায়গা থেকে

অন্যজনের ফোন ছিনতাই করে, আমি নিজে দৌড়ে গিয়ে তাকে পাকড়াও করি। কিন্তু আমার সাহায্যে কেউ আসলো না। মা’নুষ এখন খুব স্বার্থপর, সাহায্যের পরিবর্তে ভি’ডিও করে।’ এভাবেই ছিনতাই হওয়ার দিনের কথাগুলো বলছিলেন, সম্প্রতি আলোচিত সাহসী

কন্যা খ্যাত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পারিসা আক্তার। পারিসা আ’ক্তার বলেন,মানুষ এখন অনেক স্বার্থপর হয়ে গেছে। এ’কজনের বিপদে আরেকজন এগিয়ে আসে না। সবাই দেখে যে তার পাশের মানুষটা বি’পদে পড়েছে, কিন্তু না দেখার ভান করে থাকে। যেন সে কিছুই জানে না। আরেক শ্রেণির মানুষ আছে,

যারা ছবি তোলে, ভিডিও করে, কিন্তু সাহায্য করে না। পারিসা আক্তার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বি’ভাগের শিক্ষার্থী। তিনি বিভাগ থেকে স্নাতকে উত্তীর্ণ হয়েছেন। স্নাতকোত্তরে গবেষণার (থিসিস) কাজে গত বৃহস্পতিবার মিরপুর চিড়িয়াখানায় যান। ফে’রার পথে সন্ধ্যা ৬টার দিকে কারওয়ান বাজারে তার ফোন ছিনতাই হয়। পারিসার ওই

ফোনেই ছিল তার গবেষণার সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ফোন হারিয়ে পাগল প্রায় এখন পারিসা। ফোন এবং তথ্যাদি হারিয়ে গ’বেষণা (থিসিস) থেকে ড্রপআউটের শঙ্কায় আছেন তিনি। পারিসা বলেন, দীর্ঘ এক বছর আমি হাতি নিয়ে গবেষণা করছি। সেই সূত্রে মিরপুর চি’ড়িয়াখানায় আমার দীর্ঘদিনের যাওয়া-আসা। কিন্তু একদম শেষে এসে ফোন হারিয়ে আমি সব

হারিয়েছি। ফোন এবং গবেষণার (থিসিস) তথ্যাদি না পেলে আমার বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। পারিসার গবেষণাপত্র জমা দিতে হবে আগামী ২৫ থেকে ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে। দী’র্ঘদিনের এ গবেষণার তথ্যাদি তার পক্ষে মাত্র দুদিনে সংগ্রহ করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, স্যারদের সঙ্গে

আমার কথা হয়েছে। তারা বললেন, প্রথম দিন জমা দিতে না পারলেও শেষ দিনে জমা দিতে হবে। অন্যথায় ড্রপআউট হয়ে যাবে। এই মুহুর্তে একটাই চাওয়া পারিসার। দে’শের চুরি ও ছিনতায়ের স্থায়ী সমাধান চান তিনি। বলেন, ‘আমি এখনও ট্রমার ভেতর আছি। সেই স্মৃ’তিগুলো আমার চোখের সামনে ভাসছে। আমি

শান্তিতে ঘুমাতে পারছি না। কি নির্মমভাবে আমার ফোন ছিনতাই হয়েছে, শুধু আমিই জানি। ওরা (ছিনতাইকারীরা) ধরা পড়ে, আবার জামিন হয়। আবার ছিনতাই করে। ভুক্তভোগী হই আমরা সাধারণ মানুষেরা। তিনি আরও বলেন, আমি এই চুরি-ছিনতাইয়ের স্থায়ী সমাধান চাই। শুধু আমার ফোন পাওয়াটাই

বড় কথা না, আমি চাই আমার মতো কেউ যেন এমন ঘটনার শিকার না হয়, সেই নিশ্চয়তা চাই। এই চুরি ছিনতাইয়ের স্থায়ী সমাধান চাই। এদিকে ফোন ছিনতায়ের দু’দিন গত হলেও উদ্ধার করতে পারেনি তেজগাঁও থানা পুলিশ। তারা বলছে, ছিনতাইয়ের শিকার জগন্নাথ

বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীর সহযোগিতার জন্য পুরো টিম কাজ করছে। খুব দ্রুতই এ চক্রকে গ্রেফতার করতে পারবেন তাঁরা। ফোনও উ’দ্ধার হবে। বি’শ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অ’ধ্যাপক ড.মো”স্তফা কামাল বলেন, আমরা বিষয়টি জেনেছি। আ’ইনি কোনো সহায়তা প্র’য়োজনে আ’মরা সব সময় পাশে আছি।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © ২০১৭-২০২২
Site Customized By NewsTech.Com