Take a fresh look at your lifestyle.

কোরবানি করার নিয়ম, অংশীদারির ভিত্তিতে

স্বদেশ বাংলা ডেস্কঃ

2

কোরবানির পশু আগে থেকে নির্ধারিত হোক বা কোরবানির দিনগুলোতে কেনা হোক—উভয় পদ্ধতি বৈধ। যদি কোরবানির নিয়তে পশু ক্রয়কারী নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক না হয়, তাহলে ক্রয়ের মাধ্যমে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হয়ে যায়।

কোরবানির জন্য যদি কেউ বড় একটি পশু ক্রয় করে এবং সে নিয়ত করে যে অন্য কেউ আগ্রহী হলে তাকেও কোরবানিতে অংশীদার করে নেবে—এমন ব্যক্তির জন্য আগ্রহী ব্যক্তি পেলে শরিকানায় কোরবানি করা বৈধ হবে।

আর যদি কেনার সময় কাউকে শরিক করার নিয়ত না থাকে, তবে পরবর্তী সময়ে কাউকে অংশীদার না করাই উত্তম। তার পরও যদি কাউকে অংশীদার করতে হয়, তবে অংশীদারের নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হতে হবে।

অংশীদার নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক না হলে তাকে অংশীদার করা বৈধ হবে না। একইভাবে গরিব ব্যক্তি (যার নিসাব পরিমাণ সম্পদ নেই) কোনো পশু ক্রয় করলে তাতে অন্যকে অংশীদার করা বৈধ নয়।

যদি নিসাব পরিমাণ সম্পদ নেই—এমন ব্যক্তি কোরবানির জন্য কোনো পশু ক্রয় করে এবং পরবর্তী সময়ে কাউকে শরিক করে, তবে পরবর্তী সময়ে উপযুক্ত ব্যক্তির কোরবানি শুদ্ধ হয়ে যাবে।

কোরবানিতে কোনো ধরনের সমস্যা হবে না। তবে যে পরিমাণ অংশ গরিব ব্যক্তি অন্যের জন্য ছেড়ে দিয়েছে, তা পরিমাপ করে আরেকটি কোরবানি দেওয়া ওয়াজিব হবে।

আর যদি কোরবানির দিন শেষ হয়ে যায়, তাহলে এই পরিমাণ অর্থ গরিব অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে বিতরণ করে দেবে। কারণ গরিব ব্যক্তি কোরবানির নিয়তে পশু কেনায় তার ওপর পুরো পশুটাই কোরবানি করা ওয়াজিব হয়ে গেছে।

(কিফায়াতুল মুফতি : ৮/১৯৫, বেহেশতি জেওয়ার : ৩/৩৯) অংশীদার যদি ওলিমা ও আকিকা করতে চায়? বড় পশুতে (যাতে শরিকে কোরবানি করা বৈধ) কোরবানি ও আকিকার নিয়তে অংশীদার হওয়া বৈধ।

.

শর্ত হলো, শরিকরা কোরবানি বা আকিকার বাইরে অন্য কোনো নিয়ত করবে না। দ্বিতীয় শর্ত হলো, কারো অংশ এক-সপ্তমাংশের চেয়ে কম হবে না। একইভাবে কোনো অংশীদার যদি কোরবানির নিয়ত করে এবং কোনো অংশীদার যদি ওলিমার নিয়ত করে, তবে তাদের একত্রে কোরবানি করা বৈধ।

(আজিজুল ফাতাওয়া : ১/৭১৮, ফাতাওয়ায়ে শামি : ৬/৩২৬) জবাই করার পর অংশীদার হওয়া যাবে? কোরবানির পশু জবাই হওয়ার পর তাতে অংশের কোনো পরিবর্তন বৈধ নয়। জবাইয়ের পর অংশীদার হওয়ার জন্য কেউ অর্থ দিলে তা ফেরত দেওয়া আবশ্যক। (আজিজুল ফাতাওয়া : ১/৭১৯)

এই বিভাগের আরও সংবাদ