Take a fresh look at your lifestyle.

৫ বছরের শিশু তুহিন কে বাবা ও চাচা মিলে হ’ত্যা করেন:পুলিশ

153

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় শিশু তুহিনকে বাবা ও চাচা মিলেই খু’ন করেছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তুহিন হ’ত্যার বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান।
৬ বছরের শিশু তুহিনকে

নৃ’শংসভাবে হ’ত্যা করে বাবা, চাচাসহ পরিবারের সদস্যরা। ঘুমন্ত তুহিনকে কোলে করে ঘরের বাইরে নিয়ে আসেন বাবা। আর বাবার কোলেই ঘুমন্ত অবস্থায় শিশু তুহিনকে ছু’রি দিয়ে গ’লাকেটে খু’ন করেন চাচা নাসির উদ্দিন।মঙ্গলবার সন্ধ্যায়

তুহিন হ’ত্যার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান।তিনি বলেন, পুলিশের কাছে শিশু তুহিন হ’ত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন বাবা ও চাচা।

আর সুনামগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে তুহিনের চাচা নাছির উদ্দিন ও চাচাতো ভাই শাহরিয়ার। তারা এ হ’ত্যার ঘটনায়

জড়িত বলে স্বীকার করেছেন।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, রোববার রাত আড়াইটার দিকে ঘুমন্ত তুহিনকে কোলে করে ঘরের বাইরে নিয়ে যান বাবা আবদুল বাছির। পরে বাবার কোলের মধ্যেই তুহিনকে ছু’রি দিয়ে গলাকে’টে খু’ন করেন চাচা নাছির

উদ্দিন ও চাচাতো ভাই শাহরিয়ার। পরে তুহিনের কান ও লি’ঙ্গ কে’টে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়।তিনি বলেন, বাবার সামনেই শিশু তুহিনকে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা করা হয়েছে।এর আগে সোমবার

সন্ধ্যায় তুহিনের বাবাসহ থানায় নিয়ে পাঁচজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁ’সাতেই তুহিনকে খু’ন করা হয় বলে পুলিশকে জানান বাবা

ও চাচা।সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কর্মকর্তাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হায়াতুন্নবী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান, কোর্ট ইন্সপেক্টর আশেক সোজা মামুন, দিরাই থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম, সদর মডেল থানার ওসি শহীদুর রহমান, ওসি ডিবি

মোক্তাদির হোসেন চৌধুরী, ডিআইও ওয়ান আনোয়ার হোসনে মৃধা প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, সোমবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের গচিয়া কেজাউড়া গ্রাম থেকে তুহিনের ম’রদেহ উ’দ্ধার করা হয়। সে গ্রামের

আবদুল বছির মিয়ার ছেলে।হ’ত্যাকারীরা ধারালো অ’স্ত্র দিয়ে শিশুটির কা’ন, গ’লা ও প্যা’নিশ কেটে পাশবিক কায়দায় হ’ত্যা করে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে। শিশুটির পেটে বিদ্ধ ছিল দুটি ধারালো ছু’রি।
শিশুর ম’রদেহে বিদ্ধ ছোরা দুটির হাতলে সোলেমান ও সালাতুলের নাম লেখা ছিল।সূত্র-টিবিটি নিউজ।

এই বিভাগের আরও সংবাদ